সেই পিস্তলটি নূর হোসেনের


সেই পিস্তলটি নূর হোসেনের
মালিবাগে প্রাইভেটকারে পাওয়া পিস্তলটি নূর হোসেনর নামে লাইসেন্স করা। ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি আবদুল মজিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন

 

মালিবাগে প্রাইভেটকারে পাওয়া পিস্তলটি নূর হোসেনর নামে লাইসেন্স করা। ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি আবদুল মজিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন
সমকাল প্রতিবেদক

রাজধানীর মালিবাগ রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া প্রাইভেটকারে থাকা সেই পিস্তলটি নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের।সেই পিস্তলটি নূর হোসেনের
ফাইল ছবি

সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি আবদুল মজিদ।

তিনি জানান, সেভেন পয়েন্ট সিক্সফাইভ মডেলের পিস্তলটি উদ্ধারের পর এটি বৈধ নাকি অবৈধ তার সন্ধান চলতে থাকে। আজ শনিবার এ বিষয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অস্ত্র লাইসেন্স শাখায় অনুসন্ধান করা হয়। সেখানে নথি যাচাই করে দেখা যায় অস্ত্রটির লাইসেন্স নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল এলাকার নূর হোসেনের নামে। অস্ত্রটি চার বছর আগে তার নামে লাইসেন্স নেওয়া হয়েছিল।

নূর হোসেন নারায়ণগঞ্জের ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতখুন মামলার প্রধান আসামি। বর্তমানে তিনি কলকাতার একটি জেলে রয়েছেন।

ওসি বলেন, ‘হয়তো নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ কোনো সন্ত্রাসী গ্রুপ অস্ত্রটি বহন করছিল। আমরা আনসার আলী নামে আহত একজনকে চিহ্নিত করে নজরদারি করছি। তিনি গুরুতর অসুস্থ থাকায় তাকে পুরোপুরি জিজ্ঞাসাবাদ সম্ভব হয়নি। গাড়িটিতে নূর হোসেনের এক ভাগ্নে ছিল বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। গাড়িটি নূর হোসেনের মালিকানা বলে ধারণা করা হলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।’

শুক্রবার বিকেলে মালিবাগ রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় একটি প্রাইভেটকার দুমড়েমুচড়ে চুরমার হয়ে যায়। এতে গাড়িটিতে থাকা পাঁচ যাত্রীর মধ্যে তিনজন আহত হন। গাড়ি থেকে গুলিভর্তি একটি পিস্তলসহ ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে ঢাকা রেলওয়ে থানা পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, গাড়িটিতে কোনো সন্ত্রাসী বা অপরাধী চক্র ছিল। সে জন্যই আহত হওয়ার পর তারা গা-ঢাকা দিয়েছে। পুলিশও মনে করছে, অস্ত্র-গুলি ধরা পড়ায় তারা পালিয়েছে। রাত ১২টা পর্যন্ত আহত বা গাড়ির আরোহীদের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় পুরো ঘটনা নিয়েই রহস্যের সৃষ্টি হয়।

Advertisements